২০২৪ সালে জুলাই- আগস্ট ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের মাধ্যমে পতন হয় ১৭ বছরের স্বৈরাচারী শাসন ব্যবস্থার। কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে সরকার পতনের আন্দোলনের পিছনে ছিলো এক নির্মম ইতিহাস। জুলাইয়ে মোট ১২০০ জন শহীদ হয়। ছাত্র জনতার এই আন্দোলনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল ছিল অনবদ্য। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা যে যার যার অবস্থান থেকে গড়ে তোলে এক পাহাড় সমান প্রতিরোধ।ছাত্রদলের মোট ১৪২ জন শহীদ হয় চট্রগ্রামের ওয়াসিম আকরাম সহ।
জুলাইয়ে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরাসরি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের উপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিলে প্রশাসনের একাংশ নিরহ ছাত্র জনতার উপর চালায় নির্মম হত্যা যোগ্য। এরই প্রেক্ষাপটে পুলিশের উপর ছাত্র জনতার ক্ষোভ পৌছায় চুড়ান্ত পর্যায়ে। বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মিনার হোসেন শিক্ষার্থীদের নিয়ে মিরপুর ১০ গোল চত্বরে গড়ে তোলেন প্রতিরোধ। যে পুলিশ জনগণের সেবার জন্য নিয়জিত সেই পুলিশ যখন দেশের মানুষের উপর গুলি চালায় তখন তার গায়ে জনগণের সেবার জন্য নিয়জিত সেই পোশাকের কোনো মূল্য থাকে না। ছাত্রদলের মিনার জুলাইয়ে পুলিশের পোশাক পুড়িয়ে সেই বার্তাই দিয়েছিলেন। তবে এই ছবি, ভিডিও ডিবি হারুনের নজরে আসলে মিনার হোসেনকে ২০২৪ সালের ২৭ জুলাই রাতের আধারে কালো পোশাক ধারীরা গুম করার উদ্যেশ্যে তুলে নিয়ে যায়। ৩ দিন গুম রেখে মিনার হোসেনকে তাকে মেট্রোরেল মামলার আসামী করা হয়।
বেসরকারী বিশ্ব বিদ্যালয় ছাত্রদলের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মিনার হোসেনের বাড়ি বগুড়ার গাবতলী উপজেলার বাগবাড়ি তে। যেই গ্রামে জন্ম নিয়েছিলেন আধুনিক বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান।