নতুন মৌসুমে নতুন প্রধান কোচের অধীনে ইউরোপ সেরা হওয়ার মিশন জয়ে শুরু করেছে ম্যানচেস্টার সিটি। উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগের প্রথম ম্যাচে পর্তুগিজ ক্লাব এফসি পোর্তোর মাঠে আর্লিং হালান্ডের জোড়া গোলে ২-০ ব্যবধানের দারুণ জয় পেয়েছে দ্য সিটিজেনরা। ম্যানচেস্টার সিটিতে আসার পর পুরোদস্তুর গোলমেশিন হয়ে উঠেছেন হালান্ড। ২০২২ থেকে এখন পর্যন্ত সিটির জার্সিতে ২০৩ ম্যাচে করেছেন ১৬৭ গোল। অ্যাসিস্ট করেছেন ৩০ গোলে। কদিন আগে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে করেছেন ৭ গোল। পোর্তোর বিপক্ষে জোড়া গোল করায় চ্যাম্পিয়নস লিগে গোলসংখ্যা এখন ৫৯। ইউরোপ শ্রেষ্ঠত্বের টুর্নামেন্টে খেলেছেন ৫৯ ম্যাচ।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে ড্রাগাও স্টেডিয়ামে পেপ গার্দিওলা অধ্যায় শেষে দায়িত্ব নেওয়া ম্যানচেস্টার সিটির নতুন মাস্টারমাইন্ড এনজো মারেসকার জন্য ম্যাচটি ছিল এক বড় পরীক্ষা। তবে নরওয়েজিয়ান গোলমেশিন আর্লিং হালান্ডের নৈপুণ্যে শুরু থেকেই ম্যাচের চালকের আসনে বসে ইংলিশ জায়ান্টরা।
ম্যাচের প্রথমার্ধে পোর্তো গোলরক্ষক দিয়েগো কস্তা দুর্দান্ত কিছু সেভ করে হালান্ডকে গোলবঞ্চিত রাখলেও বিরতির পর আর তাঁকে ঠেকিয়ে রাখা যায়নি। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজের চমৎকার ক্রস থেকে দারুণ এক হেডে দলকে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে নেন এই ফরোয়ার্ড। এরপর পোর্তো সমতায় ফিরতে আক্রমণের ধার বাড়ালেও সিটির ডিফেন্স ও গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার দৃঢ়তায় স্বাগতিকদের চেষ্টা ব্যর্থ হয়।
পরবর্তীতে যোগ করা অতিরিক্ত সময়ের গভীরে রায়ান আইত নুরির মাপা ক্রস পেয়ে ঠান্ডা মাথায় বল জালে জড়িয়ে ২-০ গোলের জয় নিশ্চিত করেন হালান্ড।
এই জোড়া গোলের মাধ্যমে চ্যাম্পিয়নস লিগের ইতিহাসে মাত্র ৫৯ ম্যাচে রেকর্ড ৫৯টি গোলের মালিক হলেন নরওয়েজিয়ান এই তারকা। দ্রুততম ৬০ গোলের বিশ্বরেকর্ড গড়ার একদম দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে এখন তিনি, যেখানে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো কিংবা লিওনেল মেসির চেয়েও অনেক কম ম্যাচে এই মাইলফলকের দিকে ছুটছেন তিনি। একই সাথে ম্যানচেস্টার সিটির জার্সিতে ১৬৭ গোল পূর্ণ করে ক্লাবের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় এককভাবে তিন নম্বরে উঠে এলেন হালান্ড।