Home প্রচ্ছদ আ. লীগের নিরপরাধ মানুষদের পাশে থাকবে বিএনপি: মির্জা ফখরুল

আ. লীগের নিরপরাধ মানুষদের পাশে থাকবে বিএনপি: মির্জা ফখরুল

Share

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, এবার তো নৌকা নাই, নৌকা পালাইছে। হাসিনা ভারতে চলে গেছে। মাঝখানে তার যে সমর্থক আছে, তাদের বিপদে ফেলে গেছে। আমরা সেই বিপদে তাদের পাশে দাঁড়িয়েছি। আওয়ামী লীগের নিরপরাধ মানুষদের পাশে থাকবে বিএনপি।

বুধবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও–১ আসনের রায়পুর ইউনিয়নের মোলানী বাজার এলাকায় এক পথসভায় এ কথা বলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। আজ মির্জা ফখরুল রায়পুর ইউনিয়নের ১২ টি এলাকায় পথসভা করেন।

হিন্দু সম্প্রদায়ের ভোটারদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা পরিষ্কারভাবে বলছি, হিন্দু ভাই–বোনদের, আপনারা কোনো চিন্তা করবেন না। আমরা আছি আপনাদের সঙ্গে। যাঁরা অন্যায় করছেন, তাঁদের শুধু শাস্তি হবে। যাঁরা অন্যায় করেননি, সাধারণ মানুষ, তাঁদের আমরা বুকের মধ্যে রেখে দেব, আগলে রাখব।’

এবারের জাতীয় নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, ‘আর মাত্র ১৫ দিন পরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে। আপনাদের মনে আছে? এর আগে আমরা এমপি নির্বাচন করছি ১৫ বছর আগে। মাঝখানে আমরা কোনো ভোট দিতে পারিনি। সব ভোট নিয়ে গেছে ওরা। কারা? ফ্যাসিস্ট হাসিনার লোকেরা অথবা পুলিশ ও প্রশাসন। এবার সঠিক একটা ভোট হবে বলে আমরা আশা করছি। অর্থাৎ যাঁর ভোট তিনি দিতে পারবেন, যাঁকে খুশি তাঁকে দিতে পারবেন।’

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা এখন একটু স্বস্তিতে আছি, আরামে আছি। তবে পুরোপুরি আরামে নেই। জিনিসপত্রের দাম খুব বাড়ছে। তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মনে হয় আগের চেয়ে একটু ভালো হয়েছে। সব মিলিয়ে এখন একটা সময় এসেছে যে আমরা শান্তিতে রাতের বেলায় ঘুমাতে পারছি। যদি নির্বাচনটা হয়, আমরা সবাই যদি ভোট দিতে পারি, একটা সরকার নির্বাচন করতে পারি, তাহলে আমরা ভালো থাকব বলে আমি আশা করি।’

একই ইউনিয়নের ছেপড়িকুড়া এলাকার পথসভায় মির্জা ফখরুল জামায়াতে ইসলামীকে ইঙ্গিত করে বক্তব্য দেন। তিনি বলেন, ‘আজ খবরের কাগজ খুলে দেখি আমাদের আরেকটা দল, যারা আগে আমাদের সঙ্গেই ছিল। ১৯৯১ সালে আমাদের সঙ্গে ছিল না। আমাদের সঙ্গে আসছে ২০০১ সালে। ২০০১ সালে আমাদের সরকারে ছিল, তাদের দুজন মন্ত্রীও ছিল, নিজামী সাহেব আর মুজাহিদ সাহেব। সরকারে তারা আমাদের সঙ্গেই ছিল। এখন তারা বলতেছে, আমরা নাকি ওই সময় দুর্নীতি করেছি। তাহলে তুমি কি ধর্মপুত্র যুধিষ্ঠির ছিলা? ওই সরকারে তো তুমিও ছিলা। তাহলে ওই দায় তোমারও তো ঘাড়ে এসে পড়ে। তাই না? দুর্নীতির ভাগ তো তোমাকেও নিতে হবে। নিতে হবে কি না বলেন? আমরা কোনো দুর্নীতি করিনি। আমরা সেই সময় দেশকে আগায় নিয়ে গেছি।

মির্জা ফখরুল বলেন, এখন দেশটাতে একটু শান্তি দরকার আমরা নির্বাচিত হয়ে সরকারে গেলে সবার আগে দেশে দেশের শান্তি ফেরাবো।

রাজনৈতিক জীবনে নিজের স্বচ্ছতা তুলে ধরে ফখরুল বলেন, মানুষের জন্য কাজ করতে এসে বসত বাড়ির অর্ধেক বিক্রি করে দিয়েছি, কারো উপকার করে এক কাপ চা পান করিনি। আমরা প্রতিশোধ নেব না, আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি চাই না, এ দেশটাতে পুনরায় শান্তি প্রতিষ্ঠিত করতে চাই।

এ সময় সামনের নির্বাচনে ধানের শীষে ভোট চান মির্জা ফখরুল।

তথ্যসুত্রঃ সমকাল

Related Articles

রাশিয়ার শ্রমবাজারে ১ লাখ কর্মী পাঠাতে চায় বাংলাদেশ

বাংলাদেশ ও রাশিয়া জনশক্তি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে ব্যাপকভাবে কাজ করছে। এর অংশ...

ফেসবুকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আইনি বিধান দেশে নেই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, ফেসবুকের মালিক প্রতিষ্ঠান মেটার বিরুদ্ধে সরাসরি ব্যবস্থা নেওয়ার...

পুশইন বন্ধে ভারতকে অন্তত ১৩টি চিঠি দিয়েছে বাংলাদেশ : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, ভারতের পুশইনের চেষ্টা বিজিবি শক্তভাবে প্রতিহত...

মবতন্ত্র ও উচ্ছৃঙ্খল শ্রেণী রাজনীতিতে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে : যুবদল সভাপতি

বাংলাদেশে মবতন্ত্র ও উচ্ছৃঙ্খল শ্রেণী রাজনীতিতে আবারও মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে বলে মন্তব্য...