Home জাতীয় দুই পদের দায়িত্বই সামলাবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

দুই পদের দায়িত্বই সামলাবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Share
‘চাকরি ছাড়ব কিনা এটাই তো? না না, ছুটি নেব কিনা? ভাই, এত ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই! এর নজির আছে। আজ থেকে ৪০ বছর আগে, হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী সাহেব- আমাদের প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমি তার একান্ত সচিব ছিলাম এবং তার সঙ্গে আমরা কাজ করেছি। উনি দুই পদেই পূর্ণকালীনভাবে কাজ করতে পেরেছেন। ওই সময়টা ছিল ইন্টারনেট-পূর্ব যুগ। কিন্তু আজকে আপনি নিরবচ্ছিন্নভাবে দুটো কাজই একসঙ্গে করতে পারেন। এটা এখন খুব স্বাভাবিক।’
জাতিসংঘে ৮১তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সভাপতি পদে জয়লাভের পর চলমান দায়িত্ব থেকে ছুটি নেবেন কিনা, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বৃহস্পতিবার এমন মন্তব্য করেন।
এদিকে, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে সভাপতি নির্বাচিত হয়ে দেশে ফেরার পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীসহ মন্ত্রণালয়ের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারী বৃহস্পতিবার দুপুরেোভিনন্দন জানান। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী তার মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার সাহেবকে দিয়ে ফুল পাঠিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বলেন, এই বিজয় বাংলাদেশের বিজয়। এই বিজয় প্রধানমন্ত্রীর। আমি প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাতে চাই। তিনি যদি এই সিদ্ধান্ত না নিতেন এবং দৃঢ়ভাবে, অবিচলভাবে ও বিরোধহীনভাবে আমাদেরকে সমর্থন না করতেন, তাহলে ১০ বছরের এই রাস্তা ১০ সপ্তাহে আমরা অতিক্রম করতে পারতাম না। আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সকল কর্মকর্তা, বিদেশে বিভিন্ন দূতাবাসে যারা আছেন, তারা নিরলসভাবে কাজ করেছেন। আমাদের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা— আমরা যে ‘টিম স্পিরিট’ নিয়ে কাজ করেছি, এই বিজয়ের পেছনে তার অবদান ছিল বিপুল। এই বিজয় আমরা বাংলাদেশের ভবিষ্যতের কাছে উৎসর্গ করছি। ধন্যবাদ।
আপনি এখন ছুটিতে যাবেন কি না। সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চাকরি ছাড়ব কিনা এটাই তো? না না, ছুটি নেব কিনা? ভাই, এত ব্যস্ত হওয়ার কিছু নেই! এর নজির আছে। আজ থেকে ৪০ বছর আগে, হুমায়ূন রশীদ চৌধুরী সাহেব- আমাদের প্রাক্তন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন। আমি তার একান্ত সচিব ছিলাম এবং তার সঙ্গে আমরা কাজ করেছি। উনি দুই পদেই পূর্ণকালীনভাবে কাজ করতে পেরেছেন। ওই সময়টা ছিল ইন্টারনেট-পূর্ব যুগ। কিন্তু আজকে আপনি নিরবচ্ছিন্নভাবে দুটো কাজই একসঙ্গে করতে পারেন। এটা এখন খুব স্বাভাবিক। এ সময় আর একজন সাংবাদিক বলেন, আমরা চাই আপনি দুটি পদেই থাকুন। জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, এটা আমি আগেও পরিষ্কার করে দিয়েছি। অনেকেই বলেছেন যে, বর্তমানে যিনি আছেন, জার্মানির, উনি তো পররাষ্ট্রমন্ত্রী ছিলেন, কিন্তু ওই পদ ছেড়ে তিনি কাজ করেছেন। আসলে বিষয়টা হচ্ছে, উনি গ্রিন পার্টির নেতা ছিলেন। উনার দল গ্রিন পার্টি নির্বাচনে হেরে যায়, যে কারণে তিনি আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে থাকতে পারেননি।
উল্লেখ্য, গত ২ জুন জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি পদে সাইপ্রাসের প্রতিদ্বন্দ্বীকে হারিয়ে ড. খলিলুর রহমান বিজয়ী হন।
Related Articles

২০০ টাকায় দেখা যাবে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সিরিজ

বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া মধ্যকার আসন্ন ওয়ানডে সিরিজের টিকিটের মূল্য প্রকাশ করেছে বিসিবি। সর্বনিম্ন ২০০...

প্রধানমন্ত্রীর টেলিফোনের তার চুরির ঘটনায় গ্রেফতার ২

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রীর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও স্পর্শকাতর লাল বা রেড টেলিফোনের...

শত্রুরা ইরানের জনগণের মনোবল ভাঙার চেষ্টা করছে : মোজতবা খামেনির

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি এক চিঠিতে বলেছেন, যুদ্ধে ব্যর্থ হওয়ার পর...

পল্লবীতে ধর্ষণের পর শিশুহত্যা মামলার রায় রোববার

রাজধানীর পল্লবীতে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় করা মামলায়...