মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’-এর পঞ্চম ও শেষ মৌসুমের প্রথম কিস্তি। ২০১৭ সালে নেটফ্লিক্সের আলোচিত সিরিজটিতে যুক্ত হয়ে সারা দুনিয়ার তরুণদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন স্যাডি সিঙ্ক।
নেটফ্লিক্সে মুক্তির পরই ‘স্ট্রেঞ্জার থিংস’ হয়ে ওঠে বহুল চর্চিত এক নাম। ২০১৭ সালে সিরিজটির দ্বিতীয় কিস্তিতে যুক্ত হওয়ার পর স্যাডির খ্যাতি পাওয়াটা স্রেফ সময়ের ব্যাপারমাত্র। তবে দেখার বিষয় ছিল, অন্য প্রকল্পগুলোতে তিনি কেমন করেন। ‘দ্য হোয়েল’ ছবিতে অস্কারজয়ী অভিনেতা ব্রেন্ডন ফ্রেজারের বিপরীতে অভিনয় করে সে পরীক্ষায়ও ভালোভাবেই উতরে যান এই মার্কিন অভিনেত্রী। পাশাপাশি নেটফ্লিক্সের আরেক জনপ্রিয় হরর ট্রিলজি ‘ফিয়ার স্ট্রিট’-এও তাঁকে দেখা গেছে।
২০২১ সালে টেইলর সুইফটের স্বল্পদৈর্ঘ্য ছবি ‘অল টু ওয়েল: দ্য শর্টফিল্ম’-এ প্রধান চরিত্রে অভিনয় ছিল স্যাডির ক্যারিয়ারের আরেক বড় মাইলফলক। ছবিটিতে তিনি মানসিক টানাপোড়েন ও যন্ত্রণা পর্দায় ফুটিয়ে তোলেন। ‘এই ছবিতে যখন অভিনয় করি, তখনো আমি কারও প্রেমে পড়িনি, তাই সম্পর্ক ভাঙার তীব্রতা সম্পর্কে কোনো ধারণাই ছিল না। সে কারণেই এ ছবিতে অভিনয় ছিল বড় চ্যালেঞ্জ, পরে সমালোচকদের পাওয়া প্রতিক্রিয়া দেখে মনে হয়েছে, সেটা ভালোভাবেই সামলাতে পেরেছি,’ ভ্যারাইটিকে বলেন স্যাডি।
ওটিটি আর সিনেমার পর বড় পরিসরে মঞ্চেও আসছেন স্যাডি। আসলে ‘ব্রডওয়ে কিড’ হিসেবে বড় হয়েছেন স্যাডি। মাত্র ১০ বছর বয়সে নিউইয়র্কে মঞ্চনাটকে অভিষেক। তখন থেকেই লন্ডনের বিখ্যাত ওয়েস্ট এন্ডে কাজ করার স্বপ্ন; অবশেষে পূরণ হচ্ছে সেই স্বপ্ন। ২০২৬ সালের মার্চে রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট দিয়ে ওয়েস্ট এন্ডে তাঁর অভিষেক হবে।
এ প্রসঙ্গে চলচ্চিত্রবিষয়ক মার্কিন গণমাধ্যম ডেডলাইনকে বলেন, ‘শেক্সপিয়ারের এই বিখ্যাত নাটক দিয়ে ওয়েস্ট এন্ডে অভিষেক হবে অবিশ্বাস্য; হঠাৎ এই সুযোগ আসবে ভাবিনি।’