Home জাতীয় ঢাকায় বসছে তিন দিনব্যাপী এশিয়া ফার্মা এক্সপো

ঢাকায় বসছে তিন দিনব্যাপী এশিয়া ফার্মা এক্সপো

Share

রাজধানী ঢাকায় বসছে ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের অন্যতম বড় আন্তর্জাতিক আয়োজন এশিয়া ফার্মা এক্সপো ২০২৬। আগামী ২৯ মার্চ (রোববার) থেকে ৩১ মার্চ (মঙ্গলবার) তিন দিনব্যাপী এই প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে। একইসঙ্গে আয়োজন করা হচ্ছে এশিয়া ল্যাব এক্সপো ২০২৬।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজের (বিএপিআই) আয়োজনে ২৩ বছরের ধারাবাহিকতায় অনুষ্ঠিত এ প্রদর্শনী দেশের দ্রুত বর্ধনশীল ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে উদ্ভাবন, সহযোগিতা ও শিল্প উৎকর্ষে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে।

আয়োজকেরা জানিয়েছেন, এবারের আসরে ২০টির বেশি দেশের ৪০০-এর অধিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেবে। প্রদর্শনীতে ফার্মাসিউটিক্যাল প্রসেসিং ও প্যাকেজিং প্রযুক্তি, এপিআই ও এক্সিপিয়েন্টস, অ্যানালিটিক্যাল ও ল্যাবরেটরি যন্ত্রপাতি, ক্লিনরুম ও এইচভিএসি সিস্টেম, পানি ব্যবস্থাপনা এবং টার্নকি প্রজেক্ট সেবাসহ নানা আধুনিক প্রযুক্তি তুলে ধরা হবে।

২৯ মার্চ সকাল ১০টায় উদ্বোধনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক সূচনা হবে এ আয়োজনের। এতে শিল্পখাতের নেতৃবৃন্দ, ফার্মাসিউটিক্যাল খাতের শীর্ষ প্রতিনিধিরা, সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং আন্তর্জাতিক অতিথিরা অংশ নেবেন। উদ্বোধনের পর তিন দিন বাণিজ্যিক দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে প্রদর্শনী।

আয়োজকেরা বলছেন, এটি হবে সোর্সিং, নেটওয়ার্কিং, প্রযুক্তি মূল্যায়ন ও ব্যবসা সম্প্রসারণের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। ২০২৫ সালের আসরে প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ বাণিজ্যিক দর্শনার্থীর অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতায় এবারের আয়োজন আরও বড় পরিসরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

দক্ষিণ এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ বি-টু-বি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে এশিয়া ফার্মা এক্সপো বৈশ্বিক সরবরাহকারী, উৎপাদক, বিনিয়োগকারী ও প্রকল্প উন্নয়নকারীদের সরাসরি সংযোগ স্থাপনের সুযোগ তৈরি করে আসছে। ২০০৩ সাল থেকে এটি ফার্মাসিউটিক্যাল উৎপাদন সরবরাহ চেইনের পূর্ণাঙ্গ কাভারেজসহ অঞ্চলের একটি বিশেষায়িত আয়োজন হিসেবে পরিচিত।

এদিকে দেশের ফার্মাসিউটিক্যাল খাতও দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে দেশের মোট ওষুধ চাহিদার প্রায় ৯৮ শতাংশ দেশীয়ভাবে পূরণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি ও কানাডাসহ ১৫৭টি দেশে ওষুধ রপ্তানি হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানান, এ খাতের বাজারমূল্য ইতিমধ্যে ৩.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়েছে এবং ২০২৬ সালের মধ্যে তা ৬ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করতে পারে। বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ধরা হচ্ছে ১৫ থেকে ১৮ শতাংশ। এপিআই ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কসহ বিভিন্ন সরকারি উদ্যোগ স্থানীয় কাঁচামাল উৎপাদন বাড়াতে কাজ করছে, যা আমদানিনির্ভরতা কমাতে সহায়ক হবে।

সব মিলিয়ে, এশিয়া ফার্মা এক্সপো ২০২৬ বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল খাতকে আরও বৈশ্বিক পরিসরে এগিয়ে নেওয়ার এক বড় সুযোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

Related Articles

হাজারো ডিসেম্বর যাবে, কিন্তু শেখ হাসিনা আর ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন

হাজারো ডিসেম্বর চলে যাবে কিন্তু শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আর ফিরবে না বলে...

বিজয়া দশমী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা

শারদীয় দুর্গোৎসব ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে দেশের সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সব নাগরিককে...

রণবীরকে ছাড়াই দুর্গাপূজায় আলিয়া, সঙ্গী ছিলেন কে

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে ভারতজুড়ে। পশ্চিমবঙ্গের...

বাংলাদেশের ফুটবলকে পরের ধাপে নিতে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে ফিফা

বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়নে ছেলেদের ও মেয়েদের ফুটবল, অবকাঠামো, প্রশিক্ষণকেন্দ্র এবং স্কুলভিত্তিক বিভিন্ন...