প্রথমবার অস্ট্রেলিয়ায় খেলতে গিয়ে স্বপ্নের মতো শুরু করেছেন তরুণ পেসার হাসান মাহমুদ। তার বোলিং তোপে তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়েছে অস্ট্রেলিয়ার শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন। একে একে শিকার করেছেন ছয় অজি ব্যাটারকে।
ডারউইন টেস্টে ম্যাচের শুরু থেকেই দুর্দান্ত ছিলেন হাসান। দুই দিকেই সুইংয়ের সঙ্গে বাড়তি বাউন্সও আদায় করে নেন এই পেসার। তার করা ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই বিভ্রান্ত হয়ে ক্যাচ তুলেছিলেন ট্রাভিস হেড। তবে বল পড়ে নিরাপদ জায়গায়। ফলে সেই যাত্রায় বেঁচে যান এই ওপেনার।
লাইন-লেংথ ঠিক রেখে নিয়মিত বোলিংয়ের পুরস্কার পেতে কিছুটা সময় লেগেছে বাংলাদেশের। তবে সফলতা পেতে বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি টাইগারদের। ম্যাচের ১২তম ওভারের চতুর্থ বলটি অফ স্টাম্পের বাইরে করেন হাসান। সেখানে ড্রাইভ করতে গিয়ে এজ হয়ে উইকেটকিপার লিটনের হাতে ক্যাচ তুলে দেন অজি ওপেনার জেক ওয়েদারাল্ড। ২৩ রান করে এই ওপেনার ফিরলে ভাঙে ৪৫ রানের উদ্বোধনী জুটি।
নিজের ফিরতি ওভারে আবারও আঘাত হানেন হাসান। এবার তার শিকার আরেক ওপেনার ট্রাভিস হেড। ১৪তম ওভারে চতুর্থ বলে গুড লেংথ থেকে ইন সুইং করা বল ব্যাটের ভেতরের দিকের কানায় লেগে স্ট্যাম্পে আঘাত হানে। ফেরার আগে হেড করেন ২২ রান।
ম্যাচের ৫১তম ওভারে হাসানের শিকার অজিদের সবচেয়ে অভিজ্ঞ টেস্ট ব্যাটার স্টিভ স্মিথ। লিটনের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরার আগে ১০৯ বলে ৭১ রানের ইনিংস খেলেন এই ব্যাটার।
এরপর হাসানে কাছে পরাস্ত হন দুই ক্যাঙারু পেসার মিচেল স্টার্ক ও প্যাট কামিন্স। ম্যাচের ৪৫ ও ৪৭তম ওভারে দুই ব্যাটারকে সাজঘরে ফেরান হাসান।
এরপর ম্যাচের ৫৩তম ওভারে ইনিংসের শেষ উইকেটটিও তুলে নেন হাসান। এবার তার শিকার অজি স্পিনার নাথান লায়ন। তরুণ হাসানের অনবদ্য বোলিং তোপে দুশ রান করার আগেই অলআউট হয় অস্ট্রেলিয়া।