শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনায় এবং রাজনৈতিক কর্মীদের সম্মানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। দেশের গণতান্ত্রিক চর্চা, ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় রাজনৈতিক কর্মীদের ত্যাগের প্রতি সম্মান জানিয়ে এ আয়োজন করেন ঢাবি ছাত্রদলের সহ-সভাপতি ও ছাত্রদল মনোনিত জিএস প্রার্থী (ডাকসু-২০১৯) আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক।

আজ রবিবার (৮ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের প্রায় এক হাজার নেতা-কর্মীর উপস্থিতিতে এ ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।ইফতার মাহফিল ও দোয়া অনুষ্ঠানে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল পর্যায়ের কর্মীদের উপস্থিতিতে এদিন কেন্দ্রীয় মাঠ ছিল কানায় কানায় পূর্ণ। এছাড়াও, ঢাকায় অবস্থিত অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ, থানা ইউনিট ও মহানগর ছাত্রদলের কর্মীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়।
ভিন্নধর্মী এ আয়োজনের বিষয়ে আনিসুর রহমান খন্দকার অনিক বলেন, দেশে গণতন্ত্র ও ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠায় হাজারো মানুষ অকাতরে জীবন দিয়েছেন। রাজনৈতিক কর্মীদের এ ত্যাগের ফলই কিন্তু ২৪ এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান। তিনি আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়া আমৃত্যু এদেশের মানুষের জন্য রাজনীতি করে গেছেন। বিএনপি সেই রাজনীতিই ধারণ করে। দেশের সাধারণ মানুষের জীবনমানের উন্নয়নই ছিল বিএনপির রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু।
রাজনৈতিক কর্মীদের এই ইফতারে অংশগ্রহণ করেন ঢাবি ছাত্রদলের যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক মোঃ আল আমিন।তিনি বলেন, এদেশের মানুষ কখনো অন্যায়কে মাথা পেতে নেয়না। অন্যায়ের প্রতিবাদ আমরা করতে জানি বলেই এদেশ থেকে দুইটি স্বৈরাচারের পতন হয়েছে। তিনি আরও বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক দেশ গড়ে তোলার সুযোগ আমাদের তৈরি হয়েছে। আর এই সুযোগ তৈরি করে দিয়েছেন বিভিন্ন পর্যায়ের গণতান্ত্রিক নেতাকর্মীরা। মাঠের নেতাকর্মীরাই যেকোন রাজনৈতিক দলের মূল শক্তি। জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা এক্ষেত্রে অনেকবেশি স্বক্রিয় ছিল। কর্মীদের নিয়ে এমন ইতিবাচক আয়োজন আগামীতেও বজায় থাকনে সেই প্রত্যাশা করি।
ইফতারের গ্রহণের পূর্বে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগন খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া পরিচালনা করা হয়। দোয়া পরিচালনা শেষে অংশগ্রহণকারীরা একসঙ্গে ইফতার গ্রহণ করেন এবং পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের পরিবেশে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘটে।