বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমদ আযম খান দাবি করেছেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া গতরাত থেকেই ‘ক্রিটিক্যাল কন্ডিশনে’ আছেন। সোমবার (১ ডিসেম্বর) দুপুরে এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান।
যদিও এর আগে বিএনপির তরফে জানানো হয়েছিলো—খালেদা জিয়ার চিকিৎসা-সংক্রান্ত যেকোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য গণমাধ্যমে উপস্থাপন করবেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য এজেডএম জাহিদ হোসেন।
তবুও সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আহমদ আযম খান বলেন, ‘ম্যাডাম ফিরে আসার জন্য ফাইট করছেন। বলা যায়, তিনি খুব ডিপ কন্ডিশনে আছেন। ডিপ কন্ডিশনের ব্যাখ্যা দিতে চাই না—এটুকুই বলবো, এটাকে ভেন্টিলেশন বা খুব ক্রিটিক্যাল অবস্থাও বলা যায়।’
বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় যুক্ত আছেন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও চীনের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। সবাই সমন্বিতভাবে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন বলেও জানান আহমেদ আজম খান। তার ভাষায়, ‘চিকিৎসকরা ক্লান্তিহীনভাবে কাজ করছেন। এ মুহূর্তে জাতির কাছে দোয়া চাওয়া ছাড়া আর কিছু বলার নেই।’
প্রায় এক সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে শয্যাশায়ী খালেদা জিয়া একাধিক জটিলতায় ভুগছেন—লিভারের সমস্যা, কিডনির কর্মক্ষমতা হ্রাস, শ্বাসকষ্টসহ নতুন করে ফুসফুসে সংক্রমণ দেখা দিয়েছে। গত ২৩ নভেম্বর গভীর রাতে তার অবস্থা গুরুতর হয়ে উঠলে দ্রুত তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এর আগে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর খালেদা জিয়ার অবস্থাকে ‘অত্যন্ত সংকটজনক’ বলে মন্তব্য করেছিলেন। পরের দিন তিনি আরও জানান, খালেদা জিয়ার শরীরের বর্তমান পরিস্থিতি বিদেশে নেওয়ার মতো স্থিতিশীল নয়।