Home প্রচ্ছদ বগুড়া-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির অভিযোগ

বগুড়া-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির অভিযোগ

Share

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়া-৪ (নন্দীগ্রাম-কাহালু) আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন দলের সাবেক সংসদ সদস্য মো. মোশাররফ হোসেন। তাঁর বিরুদ্ধে সনদ জালিয়াতির অভিযোগে নাটোরের সিংড়া আমলি আদালতে মামলা হয়েছে। মামলার বাদী মো. মাসুদ আলী সিংড়ার থাওইল গ্রামের বাসিন্দা।

বৃহস্পতিবার মামলাটি আমলে নিয়ে নাটোর পিবিআইকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন আদালতের বিচারক সারোয়ার জাহান। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. মাসুদ রানা।

মো. মোশাররফ হোসেন (৫১) বগুড়ার নন্দীগ্রাম উপজেলার বুড়ইল এলাকার মৃত হামির উদ্দিন সরকারের ছেলে। বিএনপির সাবেক এই সংসদ সদস্য বগুড়া জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক। তিনি কেন্দ্রীয় কৃষক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদেও আছেন। তিনি আগামী নির্বাচনে দল থেকে বগুড়া-৪ আসনে প্রাথমিক মনোনয়ন পেয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৩-৯৪ শিক্ষাবর্ষে নাটোরের সিংড়ার থাওইল গ্রামের মো. মাসুদ আলী জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএসএস বিভাগের ছাত্র ছিলেন। তাঁর রেজিস্ট্রেশন নম্বর ২১২৪৯৩ ও পরীক্ষার রোল ১৩৬৮৬৯। ওই বছর পরীক্ষায় অংশ নিয়ে অকৃতকার্য হন মাসুদ আলী। পরে আর কোনো পরীক্ষায় অংশ নেননি।

মোশাররফ হোসেন তাঁর (মাসুদ) রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৯৯৩-৯৪ সেশনে বিএসএসে দ্বিতীয় শ্রেণিতে জালিয়াতির মাধ্যমে উত্তীর্ণ দেখিয়ে সনদ সংগ্রহ করেছেন। ২০২৪ সালের ২৪ ডিসেম্বর সেই সনদ দেখিয়ে বগুড়া আজিজুল হক মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবেও নিয়োগ পান।

মামলায় বলা হয়েছে, ওই প্রতিষ্ঠানের সাবেক সভাপতি সেই সনদ চ্যালেঞ্জ করলে দেখা যায়, সাবেক এমপি মোশাররফ হোসেন বাদীর (মাসুদ) রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও সেশন ব্যবহার করে জালিয়াতির মাধ্যমে বিএসএস সনদ তৈরি করেছেন।

পেশায় কৃষক মাসুদ আলীর ভাষ্য, ‘আমার রোল, রেজিস্ট্রেশন নম্বর জালিয়াতি করে তিনি জাল সনদ তৈরি করেছেন। তাই মামলা করেছি। তিনি কে বা কী করেন, এইটা আমার জানার বিষয় না।’ আসামি তাঁর রেজিস্ট্রেশন নম্বর ব্যবহার করে কিছু ঘটালে অপূরণীয় ক্ষতির আশঙ্কা আছে–এ জন্যই তিনি মামলা করেছেন।

এ অভিযোগ অস্বীকার করে মোশাররফ হোসেন শুক্রবার সন্ধ্যায় সমকালের কাছে দাবি করেন, চলতি বছরের ২৮ মে তিনি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিগ্রি পাসের মূল সনদ তুলেছেন। তাঁর বিরোধী ও দলের মনোনয়নবঞ্চিত নেতারা সুনাম ক্ষুণ্ন করতে কাউকে দিয়ে পরিকল্পিতভাবে এই মিথ্যা মামলা করিয়েছেন।

নাটোর পিবিআইয়ের পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম শুক্রবার সন্ধ্যায় বলেন, আদালতের নির্দেশনার কপি তারা হাতে পাননি। কপি হাতে পেলেই দ্রুত তদন্তের পর আদালতে প্রতিবেদন জমা দেবেন।

সুত্রঃ সমকাল

Related Articles

নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া থেকে রক্ষা পেতে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী...

বাংলাদেশের খেলা দেখতে মাঠে জাইমা রহমান

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশ ক্রিকেট দল মাঠে নেমেছে আজ। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের...

পাকিস্তানকে একাই ধসিয়ে দিলেন নাহিদ, গড়লেন নতুন কীর্তি

দীর্ঘদিন পর আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ফিরেছে বাংলাদেশ। তবে মাঠে নেমেই জ্বলে উঠেছে টাইগাররা।...

শাহবাগে তোপের মুখে আসিফ মাহমুদ

রাজধানীর শাহবাগে তোপের মুখে পড়েন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ...