বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, এমপি হতে হান্নান মাসউদ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সুবিধা নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য কারা শহিদের রক্ত মাড়িয়ে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন শুরু করে?
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেল ৫টা ৩৯ মিনিটে নিজের ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্ট দিয়েছেন তিনি এসব কথা বলেন।
তার পোস্টটি নিচে হুবহু দেওয়া হলো-
৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর, ৭ আগস্ট থেকে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক শুরু করে হান্নান মাসউদ। ৭ আগস্ট আনুমানিক রাত সাড়ে ৮টার দিকে বেইলি রোডের কেএফসিতে হাতিয়ার আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক হয় মাসুদের। সেখানে এই ছবির কয়েকজনসহ আরও উপস্থিত ছিলেন, জাহাজমারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সিরাজ উদ্দিন ও তার ভাতিজা রাজু। ৭ আগস্টের পরে ১২ এবং ১৫ আগস্টেও বাংলামোটরের ওয়াটারফল রেস্টুরেন্টে মিটিং হয়। এই ছবিটি ২২ আগস্ট হোটেল ফার্সে তোলা।
ছবিতে আছেন, (১) আব্দুল হালিম আজাদ ওরফে পিচ্চি আজাদ, চরঈশ্বর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা যুবলীগের সহসভাপতি; (২) নুরুল ইসলাম মালয়েশিয়া, সোনাদিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও সোনাদিয়া ইউনিয়নের সভাপতি; (৩) মেরাজ উদ্দিন, নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান; (৪) আলাউদ্দিন বাবু, তমরদ্দি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক; (৫) যুবলীগ নেতা মাহতাব উদ্দিন রতন প্রমুখ।
এসব মিটিংয়ের মূল আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল, কীভাবে হান্নান মাসউদ হাতিয়ার এমপি হবে। অর্থাৎ শহীদের রক্ত শুকানোর আগেই আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতাদের হাত ধরে এমপি হওয়ার বন্দোবস্ত শুরু হয়। এবার আমারে কন, কারা ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য শহীদের রক্ত মাড়িয়ে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসন শুরু করে?
তথ্যসুত্রঃ সময়ের আলো