Home খেলাধুলা বিশ্বকাপ থেকে রেকর্ড আয় ফিফার, অঙ্ক শুনলে চমকে যাবেন

বিশ্বকাপ থেকে রেকর্ড আয় ফিফার, অঙ্ক শুনলে চমকে যাবেন

Share

আরও একটি আলোচিত বিশ্বকাপের সমাপ্তি। তিন দেশের যৌথ আয়োজনে ১০৪ ম্যাচের বিশ্বকাপ। চোখধাঁধানো স্টেডিয়াম, নতুন ফরম্যাট, রোমাঞ্চে ভরা অসংখ্য ম্যাচ, তবে বিতর্কেরও কমতি ছিল না। তবে সব আলোচনা ছাপিয়ে ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপ শেষ পর্যন্ত রেকর্ড পরিমাণ আয় করেছে। যা রীতিমতো চমকে দেওয়ার মতোই ব্যাপার। যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো ও কানাডার যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপ থেকে ফিফার আয় হয়েছে রেকর্ড ১৫২০ কোটি ডলার। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬৭৮ কোটি টাকা।

রাজনৈতিক টানাপোড়েন, বিতর্কিত রেফারিং সিদ্ধান্ত কিংবা সংগঠনটির সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোকে ঘিরে সমালোচনা কোনো কিছুই ব্যবসায়িক সাফল্যের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।

ফিফা জানিয়েছে, এই বিপুল আয়ের বড় একটি অংশ ব্যয় করা হবে বিশ্বজুড়ে ফুটবলের কাঠামোগত উন্নয়নে। ফুটবল উন্নয়ন কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন দেশের জাতীয় ফুটবল সংস্থাগুলোকে দেওয়া হবে উল্লেখযোগ্য আর্থিক সহায়তা। ফিফার ভাষায়, এই অর্থ ফিরে যাবে ফুটবলের ‘পিরামিডে’, অর্থাৎ তৃণমূল থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ স্তর পর্যন্ত ফুটবলের বিকাশে।

আয়ের দিক থেকে ২০২৬ বিশ্বকাপ আগের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। চার বছর আগে কাতার বিশ্বকাপ থেকে ফিফার আয় হয়েছিল প্রায় ৭৬০ কোটি ডলার। অর্থাৎ এবার সেই অঙ্ক প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। এর আগে ২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপ থেকে আয় হয়েছিল প্রায় ৫৫০ কোটি ডলার, ২০১৪ সালের ব্রাজিল বিশ্বকাপে ৪৭০ কোটি ডলার এবং ২০১০ সালে দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপে ৩৩০ কোটি ডলার।

মাত্র চার বছরের ব্যবধানে আয় দ্বিগুণ হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ টুর্নামেন্টের সম্প্রসারণ। এবার প্রথমবারের মতো ৪৮ দল নিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে বিশ্বকাপ, ফলে ম্যাচসংখ্যাও বেড়ে দাঁড়ায় রেকর্ড ১০৪ এ। স্বাভাবিকভাবেই বেড়েছে টিকিট বিক্রি, সম্প্রচার স্বত্বের মূল্য এবং বাণিজ্যিক কার্যক্রম।

আরেকটি বড় কারণ ছিল আয়োজনের কেন্দ্রবিন্দু যুক্তরাষ্ট্র। বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ভোক্তা বাজার, বিনোদন শিল্পের শক্তিশালী কেন্দ্র এবং বিপণনের জন্য আদর্শ প্ল্যাটফর্ম হওয়ায় বিশ্বকাপকে ঘিরে বাণিজ্যিক আগ্রহ ছিল নজিরবিহীন।

ইউরোপ ও দক্ষিণ আমেরিকার অনেক সমর্থকের কাছে টিকিটের দাম আকাশছোঁয়া মনে হলেও যুক্তরাষ্ট্রে তার প্রভাব তেমন দেখা যায়নি। ফাইনাল ম্যাচের ওপরের গ্যালারির একটি সাধারণ আসনের জন্য প্রায় ১১ হাজার ৭০০ ডলার খরচ করতেও পিছপা হননি দর্শকরা। সম্প্রচার স্বত্ব বিক্রি থেকেও এসেছে বিপুল অর্থ। একইসঙ্গে বেড়েছে স্পন্সরশিপ ও কমার্শিয়াল পার্টনারশিপের পরিমাণ।

Related Articles

হাজারো ডিসেম্বর যাবে, কিন্তু শেখ হাসিনা আর ফিরবেন না: রাশেদ খাঁন

হাজারো ডিসেম্বর চলে যাবে কিন্তু শেখ হাসিনা বাংলাদেশে আর ফিরবে না বলে...

বিজয়া দশমী উপলক্ষে রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা

শারদীয় দুর্গোৎসব ও বিজয়া দশমী উপলক্ষে দেশের সকল সনাতন ধর্মাবলম্বীসহ সব নাগরিককে...

রণবীরকে ছাড়াই দুর্গাপূজায় আলিয়া, সঙ্গী ছিলেন কে

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজার আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে ভারতজুড়ে। পশ্চিমবঙ্গের...

বাংলাদেশের ফুটবলকে পরের ধাপে নিতে বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে ফিফা

বাংলাদেশের ফুটবলের উন্নয়নে ছেলেদের ও মেয়েদের ফুটবল, অবকাঠামো, প্রশিক্ষণকেন্দ্র এবং স্কুলভিত্তিক বিভিন্ন...