Home প্রচ্ছদ বিএনপির বর্তমান স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে ১৭ বছরে বিএনপি ও জিয়া পরিবারের এক বিশ্বস্ত নাম

বিএনপির বর্তমান স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক বিগত ফ্যাসিস্ট আমলে ১৭ বছরে বিএনপি ও জিয়া পরিবারের এক বিশ্বস্ত নাম

Share

২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার প্রথমবার ক্ষমতায় আসার পর যখন ক্রসফায়ার গুম খুন শুরু করে তখন যুবদলের স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ও ড্যাব ঢাকা মেডিকেল কলেজ শাখার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। সারাদেশ থেকে নির্যাতনের স্বীকার অথবা অসুস্থ বিএনপির প্রতিটা নেতা কর্মী ও তাদের পরিবারের কাছে “বিএনপির ডাক্তার” হিসেবে আস্থার নাম হয়ে ওঠেন তিনি।

রাজপথের পাশাপাশি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসার ব্যবস্থা করায় ফ্যাসিস্ট রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে নিজেকে উজার করে দেন তিনি। ক্রসফায়ারে হত্যার শিকার জনির গুলিবিদ্ধ ছবিসহ যেসব ছবি বিশ্বব্যাপী মানুষের বিবেককে নাড়া দিয়েছে তার অধিকাংশ ছবিই কঠোর বিধিনিষেধ সত্ত্বেও দেশবাসীর কাছে পৌছে দেয়ার দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

রাজপথ ও পেশাগত দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করার পুরষ্কার হিসেবে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহস্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক পদে আসীন হন।

বিএনপির চেয়াপারসন বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলায় হাজিরা দিতে গিয়ে ম্যাডামের গাড়ির সাথে দুর্ঘটনায় পায়ের হাড় ভেঙ্গে যায়।

ম্যাডাম মিথ্যা মামলায় জেলে যাওয়ার তার চিকিৎসার সঠিক দাবীতে জনসমর্থন আদায়ে সরব ছিলেন।

ম্যাডামের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেন ম্যাডাম পিজিতে ভর্তি হওয়ার পর।

ধীরে ধীরে তার কার্যপরিধি আরও বৃদ্ধি পায়। এর মধ্যে ২০২০ সালের মার্চে কভিড মহামারীতে বাংলাদেশ আক্রান্ত হয়।

এসময় তৎকালীন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে মাস্ক, হ্যান্ড স্যানিটাইজার, পিপিই বিতরণ করেন বিএনপির পক্ষ থেকে।

চিকিৎসকদের ভুয়া মাস্ক ও পিপিই দিয়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ যে মৃত্যু ঝুকি বাড়িয়ে দেয় তার বিরুদ্ধে নিয়মিত প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন।

অক্সিজেনের চরম স্বল্পতা দেখা দেয় দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে তার ধারাবাহিকতায় অক্সিজেন সিলিন্ডার কনসান্ট্রেটর বিভিন্ন হাসপাতালে প্রেরণ করেন নিজে উপস্থিত থেকে।

বিএনপির পক্ষ থেকে সব সুযোগ সুবিধা সম্বলিত এম্বুলেন্স ব্যবস্থা করেন।

খোলা হয় বিএনপির পক্ষ থেকে টেলিমেডিসিন হেল্প লাইন। যেখানে ২৪ ঘন্টা চিকিৎসকদের সাথে দেশবাসীর কথা বলার ব্যবস্থা করেন যেনো তাদের প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা দেয় যায়।

করোনার সময় তার ডাইনামিক সব কার্যক্রমের জন্য ১০ ডিসেম্বর ২০২০ সালে বিএনপির মহাসচিব সাক্ষরিত এক চিঠিতে তাকে সহস্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক থেকে পদোন্নতি দিয়ে স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক করা হয়।

পুরো করোনা জুড়েই ছিলো তার কর্মযজ্ঞ।

এরপর করোনা শেষ হয় কিছুটা কিন্তু প্রতি বছরই ডেঙ্গু মহামারী দেখা দেয়। যা নিয়ে সরকার ছিলো উদাসীন।

ডেঙ্গু শুরু হওয়ার আগে থেকেই তিনি বিএনপির পক্ষ থেকে জনসচেতনতামূলক নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেন, লিফলেট বিতরণ করেন।

এরপর জুলাই আসে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে তিনি জুলাই আন্দোলনে আহতদের সর্বোচ্চ চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন, যাদের চিকিৎসা দিতে ফ্যাসিস্ট সরকারের নিষেধ ছিলো তাদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন। ফলাফল হয় ফ্যাসিস্ট সরকারের পুলিশ ডিবি নিজ চেম্বার থেকে তাকে তুলে নিয়ে যায় এবং ৫ আগস্ট পর্যন্ত কারাগারেই নির্যাতিত হন তিনি।

৬ আগস্টের পর মুক্তি পেয়ে নতুন বাংলাদেশে ভেঙ্গে পড়া স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় জুলাইয়ে আহতদের চিকিৎসা নিশ্চিত করে ছুটেছেন দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে।

২০২৪ ও ২০২৫ সালে ডেঙ্গুর মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় দলের পক্ষ থেকে নিয়েছেন একের পর এক কর্মসূচি।

Related Articles

সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশে আসছে ভারত

টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শুরুর আগে বাংলাদেশের ভারতে না খেলা নিয়ে উত্তাল হয়েছিল ক্রিকেট...

বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সঙ্গে ইফতার করলেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিকদের সম্মানে ইফতার অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক...

যানবাহনে তেল নেওয়ার সীমা বেঁধে দিল বিপিসি

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট ‘হরমুজ প্রণালি’ বন্ধ...

বিশ্ববাজারে পাটপণ্যকে ছড়িয়ে দিয়ে নতুন সম্ভাবনার সুযোগ কাজে লাগান: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পাটপণ্যকে বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে দিতে এবং নতুন সম্ভাবনার সুবর্ণ সুযোগকে...