1. msuzon.du@gmail.com : নিউজ ডেস্ক : নিউজ ডেস্ক
  2. maharaj.cu@gmail.com : Maharaj Hossain : Maharaj Hossain
  3. rajib.du1415@gmail.com : Rajib Ahmed : Rajib Ahmed
  4. support@renexlimited.com : অনলাইন : Renex অনলাইন
"কোথাও হাসি, কোথাও কান্না। কোথাও সীমাহীন যন্ত্রণা, কোথাও সুখের বন্যা।" - Dainik Deshbani
সোমবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৫, ০১:০৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ খবর
কক্সবাজারে জমি নিয়ে সংঘর্ষ, জামায়াত নেতাসহ নিহত ৩ হজ মৌসুমে কেন ভিসা নিষেধাজ্ঞা দেয় সৌদি এরদোয়ানের দলে যোগ দিলেন বিশ্বকাপজয়ী তারকা ওজিল এ বছরের মধ্যে নির্বাচন না দিলে আদায় করে নেব: ইশরাক পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে নির্যাতনের অভিযোগ মাদারীপুর পুরান বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১৯ টি দোকান পুড়ে ছাই ভূঞাপুর উপজেলা ছাত্রদল আহ্বায়ক আলমগীরের বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগ ভাইকে আটক রেখে বোনকে রেলস্টেশনের পাশে ধর্ষণ, গ্রেপ্তার ২ মেসে থাকা উপদেষ্টারা চড়েন ৬ কোটির গাড়িতে, পরেন ৪০ লাখের ঘড়ি : বুলু ফসলি জমিতে রাজহাঁস যাওয়ায় ঘোষণা দিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২৫

“কোথাও হাসি, কোথাও কান্না। কোথাও সীমাহীন যন্ত্রণা, কোথাও সুখের বন্যা।”

নিজস্ব সংবাদদাতা
  • বুধবার, ১৭ জানুয়ারী, ২০২৪

প্রবন্ধ – জীবন ও সময়

লেখিকা – তানজিলা তানজু

লেখার তারিখ১৭/০১/২০২৪ 

সময় নদীর স্রোতের মতো, সদা বহমান।

 বিলীন হয়ে যাওয়া নদীর স্রোত যেমন আর কখনো ফিরে আসে না, তেমনি হারিয়ে যাওয়া সময় ও আর কখনো ফিরে আসে না।

সময় চলে যায় বছর শেষ হয়ে, নতুন বছর আসে।

প্রতিটি সালের সাথে পুরনো সংখ্যা বদলে নতুন একটি সংখ্যা যোগ হয়।

আমাদের বয়সের সাথে একটা করে সংখ্যা বাড়ে।

নতুনের প্রতি সবার আলাদা একটা আকর্ষণ থাকে গুরুত্ব থাকে।

 কিন্তু কিছু মানুষ হাজারো নতুনের ভীড়ে, পুরনো মূহুর্ত, পুরনো অনুভূতি, পুরনো মানুষ খোঁজে।

নতুন বছর নিয়ে সবাই কতো এক্সাইটেড।

আর আমি শুধু ভাবছি জীবন থেকে সময়গুলো কিভাবে এতো তাড়াতাড়ি ফুরিয়ে যাচ্ছে৷

ফেলে আসা দিনগুলো আর কখনো ফিরে আসবে না। কিছু মানুষ যদি পারতো যেকোনো কিছুর বিনিময়ে তার ফেলে আসা সুন্দর ও সুখের সময়টায় ফিরে যেতো।

যতো বয়স বাড়ছে জীবন থেকে আনন্দ উল্লাস কমছে, দায়িত্ব বাড়ছে, কাজের চাপ বাড়ছে টেনশন- ডিপ্রেশন বাড়ছে।

চাইলেই এখন আর শিশুসুলভ আচরণ করা যাবে না। শৈশবে ফিরা যাবেনা, স্কুল জীবনে ফিরা যাবেনা কলেজ জীবনে ফিরা যাবেনা।

সেই ছোট্টবেলা থেকে হাঁটি হাঁটি পা পা করে পথ চলতে চলতে আমরা অনেক বড় হয়ে যাই।

অনেকটা পথ পেরিয়ে যাই।

কতো মানুষের সাথে পরিচয় হয় বন্ধুত্ব গড়ে উঠে।

আবার সময় ও স্থান পরিবর্তনের সাথে সাথে, তারা হারিয়ে যায়।

পুরনো মানুষ হারিয়ে গিয়ে নতুন মানুষের সাথে পরিচয় হয়।

সময়ের ব্যবধানে আমার আগের বন্ধুবান্ধব হারিয়ে গেছে। আবার চলার পথে নতুন বন্ধুবান্ধব হবে নির্দিষ্ট একটা সময় পরে তারাও হারিয়ে যাবে।

এরপর সংসার জীবনে কেটে যাবে জীবনের বাকি অংশ। দেখতে দেখতে আমাদের আজকের অবস্থানে চলে আসবে, আমাদের সন্তান ও পরের প্রজন্ম।

দেখতে দেখতে পৃথিবী থেকে বিদায় লগ্ন ও চলে আসবে। এরপর হঠাৎ একদিন শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করে, পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে, চিরবিদায় নিয়ে পরপারে চলে যাবো। ব্যাস এইটুকু, এইতো জীবন।

সংক্ষিপ্ত এই জীবন, অথচ আমাদের চাওয়া পাওয়ার ব্যপ্তি কতো বিশাল।

কিন্তু আমাদের জীবনে এমন কিছু মূহুর্ত, এমন কিছু ঘটনা, এমন কিছু অনুভূতি এমন কিছু মানুষ থাকে যা আমাদের মনের এক কোণে স্মৃতি হিসেবে স্মরণীয় হয়ে থাকে।

এই ছোট্ট জীবনে ঘটে যায় কতো কিছু।

কতো রংবেরঙের গল্প তৈরি হয়। জন্ম- মৃত্যু, সুখ -দুঃখ, হাসি- কান্না, আবেগ- অনুভূতি, ভালোবাসা – বিচ্ছেদ, এইসবকিছু আমাদের সাথে এই ক্ষুদ্র একটি জীবনেই ঘটে।

সময় ও জীবন সবার সাথে একই সময় এক যায় না।

কেউ সময়কে কাজে লাগিয়ে সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌছে যাচ্ছে।

কেউ সময়কে অবহেলা করে ধংষ হচ্ছে।

সময়ের পরিক্রমায় কারো উন্নতি হয় কারো অবনতি হয়। আর জীবনকে আমার কাছে অংকের মতো মনেহয়। যোগ- বিয়োগ, গুণ- ভাগ সবই চলে এইখানে।

কারো জীবনের অংক সহজ, সহজেই তা মিলাতে পারে। আর কারো জীবনের অংক পিথাগোরাস ও নিউটনের সূত্রের থেকেও কঠিন।

গোটা জীবন পার হয়ে গেলেও জীবনের হিসাব মিলানো যায় না।

জীবন কাউকে প্রাপ্তির সুখ উপহার দেয়।

আবার কাউকে চিরঅপূর্ণতায় রাখে।

কারো জীবন হয় রঙিন।

কারো জীবনের সবটুকু রঙ একমুঠো ছাই হয়ে যায়।  একই দিনে একই মূহুর্তে কোথাও কারো জন্ম হচ্ছে, তাকে ঘিরে তার পরিবার স্বজনদের আনন্দের সীমা নেই।   আবার সেই একই দিনে, একই মুহূর্তে কোথাও কারো মৃত্যু হচ্ছে, তাকে হারানোর আহাজারিতে তার পরিবার স্বজনদের কান্নার রোল পড়ে যায়।

মুহূর্তে কোথাও কেউ তার প্রিয় মানুষকে আপনকরে পাচ্ছে।

একই মুহূর্তে কেউ তার প্রিয়মানুষকে সাড়াজীবনের জন্য হারাচ্ছে।

কারো সম্পর্কে গড়ছে কারো সম্পর্ক ভেঙে বিচ্ছেদে রুপ নিচ্ছে।

একই পৃথিবীর ছাদের নিচে একই সময় কেউ বিলাসিতা করে খাবার এটোঁ করছে।

সেই একই সময়ে কেউ এক মুঠো খাবারের জন্য হাহাকার করছে।

একই সময়ে কোথাও কেই হাসছে একই সময়ে কেউ কাঁদছে।

বৈচিত্র্যময় এই পৃথিবী, বৈচিত্র‍্যময় জীবন, বৈচিত্র‍্যময় পৃথিবীর মানুষগুলো।

আর জীবনকে হেসে উড়িয়েও দিতে নেই।

কেঁদে ভাসিয়েও দিতে নেই।

উভয়ের মধ্যে মানদণ্ড ঠিক রেখে চলতে হয়।

জীবন সহজ নয়, আবার একেবারে কঠিন ও নয়।

চলার পথে অনেক বাধাঁ আসে।

দুঃখকষ্ট আমাদের হৃদয়কে ভেঙেচুরমার করে দেয়।মনেহয় যেন এইখানেই জীবন শেষ।

কিন্তু হাজারো দুঃখ-বেদনাকে ধামাচাপা দিয়ে নতুন কোনো প্রাপ্তির আশায় আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হয়।জীবনের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে হয়।

জীবনও সময় কোনোটাই কিন্তু কারোজন্য থেমে থাকেনা।কিন্তু মনটা মাঝে মাঝে থেমে যায়।

থেমে গেলেও আমরা থেমে যেতে পারি না।

রহস্যময় এই জীবনে আমরা প্রতিটি মানুষ একেকটা অভিনেতা প্রতিনিয়ত অভিনয় করে যেতে হয়।

প্রতিটি মানুষ একেকটা যুদ্ধা।

জীবন যুদ্ধে লড়াই করে টিকে থাকতে হয়।

জীবনের এই রসায়নে-

শেয়ার:
আরও পড়ুন...
স্বত্ব © ২০২৫ দৈনিক দেশবানী
ডিজাইন ও উন্নয়নে - রেনেক্স ল্যাব