স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ১৫ থেকে ২০ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল লাঠি ও চাকু নিয়ে তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাটি ঘটে চন্দনাইশের বদুরপাড়া পাক্কাদোকান এলাকা থেকে পেট্রোল পাম্পের সামনের সড়কে।
এ ঘটনার পেছনে সাম্প্রতিক একটি রাজনৈতিক কর্মসূচির যোগসূত্র থাকার আশঙ্কা প্রকাশ করা হচ্ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জুলাই যোদ্ধা জানান, চট্টগ্রাম-১৪ আসনের বিতর্কিত প্রার্থী জসিম উদ্দিনের মনোনয়ন বাতিল ও গ্রেপ্তারের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে জুলাই যোদ্ধাদের পক্ষ থেকে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছিল। ওই স্মারকলিপি প্রদানের কারণেই এই হামলার ঘটনা ঘটেছে বলে তারা মনে করছেন।
চট্টগ্রাম-১৪ আসনের এলডিপি প্রার্থী অধ্যাপক ওমর ফারুক বলেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে মনে করি, জুলাইযোদ্ধাদের জন্য এখন বাড়তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। যারা গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়িয়েছে, তাদের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে নির্বাচন ও রাজনৈতিক পরিবেশ কখনোই স্বাভাবিক থাকতে পারে না।’
এ ঘটনায় অতিদ্রুত আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন হাসনাত আব্দুল্লাহ ও মইনউদ্দীন ঘনিষ্টরা।
হাসান আলী আগে এনসিপির প্রার্থী ছিলেন। পরবর্তীতে ১১ দলীয় জোট গঠনের পর তিনি চট্টগ্রাম-১৪ আসনে এলডিপি প্রার্থী অধ্যাপক ওমর ফারুকের প্রতি আনুষ্ঠানিক সমর্থন ঘোষণা করেন।